নিজস্ব প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক ||
নিহত রিমা আক্তার ওই গ্রামের মৃত রিপন মিয়ার দ্বিতীয় মেয়ে। সে আন্ধারুপাড়া গ্রামের একটি ব্র্যাক স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রিমার ছোট বয়সেই তার বাবা রিপন মিয়া একটি দুর্ঘটনায় মারা যান। এরপর তিন মেয়েকে নিয়ে রিমার মা জহুরা বেগম বাবার বাড়ি আন্ধারুপাড়া গ্রামে বসবাস করে আসছিলেন। তিন বোনের মধ্যে রিমা ছিলেন দ্বিতীয়।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি রিমার বিয়ের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সম্বন্ধ দেখা হচ্ছিল। তবে ওই বিয়েতে রিমার সম্মতি ছিল না। স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে পরিবার ও স্থানীয়রা জানান। এরই মধ্যে শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ির টিনশেড ঘরের আড়ার (ধর্নার) সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় রিমাকে দেখতে পান স্বজনরা।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়। চিরকুটে রিমা তার মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়েছে এবং নিজের ভালোবাসার মানুষকে ছেড়ে অন্যত্র বিয়ে হলে সে মানসিকভাবে কষ্ট পেত বলে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে ওই ঘটনায় কাউকে দায়ী না করার কথাও লিখেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে রিমার মরদেহ ও একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।