নিজস্ব প্রতিবেদক : মেহেদী হাসান শামীম ||
বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় তাপমাত্রা খুব বেশি না হলেও গরমের অনুভূতি তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে দুপুরের দিকে খোলা জায়গায় অবস্থান করা কঠিন হয়ে পড়ছে। জীবিকার তাগিদে রিকশাচালক, দিনমজুর ও কৃষকদের প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করেই কাজে বের হতে হচ্ছে।
রিকশাচালক আব্দুল করিম বলেন, ‘সকাল থেকেই প্রচণ্ড রোদ। রিকশা নিয়ে বের হয়েছি, কিন্তু এই গরমের মধ্যে রিকশা চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। তারপরও উপায় নেই। রিকশা না চালালে পেটে ভাত উঠবে না। তাই কষ্ট হলেও রাস্তায় বের হতে হয়েছে।’
স্কুলশিক্ষার্থী তাসনিম জাহান বলেন, ‘আজ রোদের তীব্রতা অনেক বেশি। বাইরে বের হলেই প্রচণ্ড গরম লাগছে। এই গরমে প্রয়োজন ছাড়া মানুষও বাইরে বের হতে পারছে না।’
কৃষক জলিল বলেন, ‘নিয়মিত মাঠে কাজ করি। কিন্তু আজকের রোদে শরীর যেন পুড়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে মাঠে কাজ করা খুব কষ্টকর হয়ে পড়েছে। কোনোভাবেই স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে না।’
তীব্র গরমে শিশু ও বয়স্কদের পাশাপাশি খোলা আকাশের নিচে কাজ করা মানুষের ভোগান্তি বেশি। অনেকে গরম থেকে স্বস্তি পেতে ছায়ায় অবস্থান করছেন এবং বারবার পানি পান করছেন।
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এক পশলা বৃষ্টি নামলেই কমবে ভ্যাপসা গরম, ফিরবে স্বস্তি। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া দীর্ঘ সময় রোদে না থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।