নিজস্ব প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক ||
ঢাকা মহানগরীর যানজট, ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, যানজট নিরসন, খাল খনন ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং নিরাপদ ও টেকসই ঢাকা বিনির্মাণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।
সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, বড় শহরগুলোতে মানুষের চলাচল সহজ ও স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সড়কে মানুষের মূল্যবান সময় নষ্ট হলে এর নেতিবাচক প্রভাব অর্থনীতিতেও পড়ে। তাই নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে যানজট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে মঈন খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ উদ্বোধন করেছেন।
দেশব্যাপী এ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করার পাশাপাশি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে দুই সিটি করপোরেশনের চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যকর অভিযান চালানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সভায় এর আগে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা নিজ নিজ এলাকার চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরেন। এ সময় ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, যানজট নিরসন, খাল খনন ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং নিরাপদ ও টেকসই ঢাকা বিনির্মাণে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়।
উপস্থাপিত কার্যক্রম পর্যালোচনা করে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং চলমান উদ্যোগগুলো আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।