নিজস্ব প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক ||
হাতি-মানুষের সংঘাত কমাতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। একই সঙ্গে হাতির নিরাপদ আবাসস্থল ও বিচরণক্ষেত্র সংরক্ষণে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শৈলপ্রশান্ত মিলনায়তন, পর্যটন ভবনে 'হাতির সুরক্ষা: বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও করণীয়' শীর্ষক সেমিনারে এইসব কথা উঠে আসে।
'হাতি বাঁচুক, বন বাঁচুক- সমৃদ্ধ হোক আমাদের জীববৈচিত্র্য'- এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত সেমিনারে দেশের হাতির বর্তমান পরিস্থিতি, আবাসস্থল সংরক্ষণ, বিচরণক্ষেত্র রক্ষা, অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠা এবং হাতি-মানুষের সংঘাত কমানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, হাতি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বন ও হাতির আবাসস্থল সংকুচিত হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় হাতি-মানুষের সংঘাত বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় হাতির নিরাপদ বিচরণপথ ও আবাসস্থল সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, হাতি সংরক্ষণে শুধু বন বিভাগ বা প্রশাসনের একক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সরকার, প্রশাসন, বন বিভাগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি হাতির নিরাপদ বিচরণক্ষেত্র নিশ্চিত ও প্রয়োজনীয় এলাকায় অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।
সেমিনারে 'হাতির নিরাপদ বিচরণক্ষেত্র নিশ্চিত করি, হাতি-মানুষের সংঘাত কমাতে সচেতনতা বাড়াই এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সমৃদ্ধ জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণে সবাই দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখি'। -এমন আহ্বান জানানো হয়।
হাতির আবাসস্থল ও বিচরণপথ রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি মানুষ ও হাতির নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সেমিনার শেষ হয়।