নিজস্ব প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক ||
উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও দক্ষতার সমন্বয়ের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে শেরপুরে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসের আলোচনা সভায়। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।
সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। এ জন্য আধুনিক প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার, কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মক্ষেত্রে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে।
আলোচনায় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবনী চিন্তার প্রসার, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সময়, শ্রম ও সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন ও সেবার মান বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্চিতা বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ফজলুল হক, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল আওয়াল চৌধুরী, রাজনীতিবিদ আবদুল বাতেন, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবু রায়হান রূপণ, উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাইফুল ইসলাম, এনসিপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার লিখন মিয়া, জেলা যুবদলের সভাপতি মো. আতাহারুল ইসলাম আতা ও সাধারণ সম্পাদক মো. শওকত হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শিল্প-কারখানার স্বত্বাধিকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, উৎপাদনশীলতা শুধু উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানোর বিষয় নয়; কম সময়, শ্রম ও সম্পদ ব্যবহার করে মানসম্মত পণ্য ও সেবা নিশ্চিত করাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার ও দক্ষ জনশক্তির সমন্বয়ে কর্মপরিবেশকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে হবে।
আলোচনা সভায় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসা খাতকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।