নিজস্ব প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক ||
শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলা শহরের নিউমার্কেটে শেরপুর জেলা বেসিক ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের কার্যালয়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলে। ইউনিয়নের ৩৯১ জন ভোটারের মধ্যে ৩৬২ জন তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৯২ দশমিক ৫৪ শতাংশ।
ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির তত্ত্বাবধানে ভোট গণনা করা হয়। এতে সভাপতি পদে আনারস প্রতীকে মো. খলিল মিয়া ১৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সোহেল মিয়া গরুর গাড়ি প্রতীকে ১৫৪ ভোট এবং সৈয়দ আল মামুন সাইকেল প্রতীকে ২৭ ভোট পান।
সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল বেশ জমজমাট। এ পদে ছাতা প্রতীকে আঃ হামিদ মিয়া ১৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। মাত্র দুই ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সাবু মিয়া। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৭৩ ভোট।
এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ফুটবল প্রতীকে মো. আরিফ মিয়া ১৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রাসেল মিয়া হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ১৬৫ ভোট। কোষাধ্যক্ষ পদে বই প্রতীকে মো. রনি মিয়া ১৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. বাদশা মিয়া দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৫৫ ভোট।
ইউনিয়নের ১১টি পদের মধ্যে চারটি পদে মোট নয়জন প্রার্থী সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বাকি সাতটি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে চার সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি দায়িত্ব পালন করে। কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন অ্যাডভোকেট আলমগীর কিবরিয়া কামরুল। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডভোকেট শিবলু চন্দ্র দাস, সাংবাদিক মো. মারুফুর রহমান ফকির ও বেসিক ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহেল মিয়া।
নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগিতা করেন সংগঠনের সভাপতি দিদারুজ্জামান সিদ্দিকী দিদার, সিনিয়র সহসভাপতি ও দর্জি শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যসচিব মো. রমজান আলী, সহসভাপতি বাদশা মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজন চন্দ্র সাহাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ, উপপরিদর্শক (এসআই) সিব্বির আহমেদসহ পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।
ভোট গণনা শেষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কমিশনারদের স্বাক্ষরিত বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ীদের নাম ও প্রাপ্ত ভোট ঘোষণা করা হয়।