শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং ময়মনসিংহ বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি কিডনি ও হার্ট স্ট্রোকজনিত জটিলতায় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
মরহুম আব্দুর রাজ্জাক জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার গোয়ালগাঁও পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মরহুম সিদ্দিক ডিলারের বড় ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, সন্তান, সহকর্মী ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত ১০টায় বকশীগঞ্জের গোয়ালগাঁও পশ্চিমপাড়া গ্রামে তাঁর নিজ বাড়িতে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে আব্দুর রাজ্জাক ময়মনসিংহ বন বিভাগের বালিজুরি সদর বিট, ডুমুরতলা বিট, রাংটিয়ার গজনি বিট ও মধুটিলার বাতকুচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিটে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া শেরপুরের সহকারী বন সংরক্ষকের কার্যালয় এবং শ্রীবরদী উপজেলা সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
কর্মজীবনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। উদ্ভিদ, প্রকৃতি ও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও তাঁর পরিচিতি ছিল।
তাঁর মৃত্যুতে ময়মনসিংহ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নুরুল করিম, বাংলাদেশ ফরেস্ট রেঞ্জার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. সুমন মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান রাসেল, বালিজুরি রেঞ্জের ফরেস্ট কর্মকর্তা রাতুল সাহা রানা, মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল করিম, শেরপুরের পরিবেশ ও প্রকৃতিপ্রেমী মুগনিউর রহমান মনি, শ্রীবরদী উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন সাগর, শ্রীবরদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তারেক মুহম্মদ আব্দুল্লাহ রানা এবং পরিবেশকর্মী এজেড রুমান ও আসাদুজ্জামান প্রিন্স গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
একই সঙ্গে তাঁরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন
মন্তব্য করুন