Advertisement
বৃহস্পতিবার, 15 অক্টোবর 2026
১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
শেরপুরে এক মাসেই শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন খোকন চন্দ্র ঘোষ শেরপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা শেরপুরে তামাক নিয়ন্ত্রণে টাস্কফোর্সের সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাজমিস্ত্রির মৃত্যু ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় শেরপুর সদর হাসপাতালে মশারি বিতরণ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নকলায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা গ্রাম-শহরের সব শিশুকে টিকার আওতায় আনার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাংলাদেশি রোগীদের বিনা মূল্যে লিভার প্রতিস্থাপন করবে পাকিস্তান ১৫ তরুণ পাচ্ছেন ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড, অনুদান পাচ্ছে ৪৩২ যুব সংগঠন

মাতৃহারা সেই আব্দুল্লাহ এখন ডিসির কোলে

মাতৃহারা সেই আব্দুল্লাহ এখন ডিসির কোলে
News Banner

মায়ের কোলে থাকার বয়স মাত্র চার মাস। এই বয়সেই মাকে হারিয়েছে শিশু আব্দুল্লাহ। মায়ের হত্যাকাণ্ডের সেই মর্মান্তিক ঘটনার পর অসহায় বাবা রিকশাচালক লাল মিয়ার সঙ্গে দিন কাটছে তার। এবার সেই শিশুকে কোলে তুলে আদর করেছেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। দিয়েছেন আর্থিক সহায়তা ও পোশাক।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গণশুনানিতে আব্দুল্লাহকে নিয়ে আসেন তার বাবা লাল মিয়া ও চাচি। এ সময় জেলা প্রশাসক শিশুটিকে কোলে নিয়ে আদর করেন এবং তার সঙ্গে কিছুক্ষণ সময় কাটান। পাশাপাশি আব্দুল্লাহর ভরণপোষণের জন্য আর্থিক সহায়তা দেন এবং পোশাক কিনে দেন।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের চরসাপমারী গ্রামে আব্দুল্লাহর মা রুফিয়া বেগমকে (৩৫) গলা কেটে হত্যা করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটান তাঁর ভাতিজা আরিফ হোসেন। ঘটনার সময় রুফিয়া বেগম বাড়ির উঠানে বসে চার মাস বয়সী আব্দুল্লাহকে দুধ খাওয়াচ্ছিলেন। শিশুটির সামনেই মাকে হত্যা করা হয়। পরে পুলিশ অভিযুক্ত আরিফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।

মাকে হারানোর পর আব্দুল্লাহকে নিয়ে বিপাকে পড়েন তার বাবা লাল মিয়া। পেশায় রিকশাচালক হওয়ায় সীমিত আয়ে সংসার চালানোর পাশাপাশি শিশুটির লালন-পালন করাও তাঁর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘চার মাস বয়সী শিশু আব্দুল্লাহ মায়ের কোলে থাকা অবস্থায় তাঁর মাকে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও মর্মান্তিক। শিশুটির বাবা দরিদ্র রিকশাচালক। আব্দুল্লাহর ভবিষ্যৎ ভরণপোষণের জন্য আমি সহযোগিতা করে যাব।’

জেলা প্রশাসকের এই সহায়তায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আব্দুল্লাহর বাবা লাল মিয়া। শিশুটির লালন-পালন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে এ সহযোগিতাকে তিনি আশার আলো হিসেবে দেখছেন।

এই সংবাদটি পঠিত হয়েছে: 65 বার

মেহেদী হাসান শামীম

বার্তা সম্পাদক

এই সাংবাদিকের মোট খবর: 120 টি

মন্তব্য করুন