নিজস্ব প্রতিবেদক : স্টাফ রিপোর্টার ||
পরে বিকেল ৩টার দিকে পরিবারের অগোচরে মামা রনককে সঙ্গে নিয়ে আবারও পুকুরে যায় মিরাজ। একপর্যায়ে তারা দুজন ড্রামের ভেলায় চড়ে পুকুরের মাঝখানে যায়। সেখানে ভেলাটি উল্টে গেলে দুজনই পানিতে তলিয়ে যায়।
দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরপাড়ে রনকের বাইসাইকেল পড়ে থাকতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও হরিপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পুকুরে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। রাতভর অভিযান চালিয়ে রাত ১টার দিকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
মামা-ভাগিনার একসঙ্গে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে আমগাঁও গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ।