নিজস্ব প্রতিবেদক : স্টাফ রিপোর্টার ||
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসহায় অবস্থার তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর শেরপুরের এক বৃদ্ধা ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা প্রশাসন। তাঁদের খাদ্যসহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি বসতঘর সংস্কার এবং প্রতিবন্ধী নাতির ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) শেরপুর সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের উত্তর কামারিয়া গ্রামে বৃদ্ধা ছফুরা বেগমের পরিবারের কাছে খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের নির্দেশনায় এ সহায়তা দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক কামরুজ্জামান খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আরিফুর রহমানসহ অন্যরা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ছফুরা বেগম বয়স্ক ভাতা, তাঁর মেয়ে মজিদা বিধবা ভাতা এবং ছেলে কাদির মিয়া প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। তবে জন্মনিবন্ধন না থাকায় নাতি রুমান মিয়ার ভাতা চালু করা সম্ভব হয়নি। দ্রুত জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন করে তাঁর প্রতিবন্ধী ভাতা চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ছফুরা বেগমের বসতঘর সংস্কার করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। পরিবারটির সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারি সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।
সহায়তা পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে ছফুরা বেগমের পরিবারের সদস্যরা বলেন, ‘আমরা খুব অসহায়ভাবে জীবনযাপন করছি। হঠাৎ জেলা প্রশাসনের লোকজন আমাদের বাড়িতে এসে খাদ্যসহায়তা দিয়েছেন। আমাদের ঘর করে দেবেন এবং আরও সরকারি সেবা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এতে আমরা খুব খুশি।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে খাদ্যসহায়তা, ভাতা চালু ও ঘর সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন।