নিজস্ব প্রতিবেদক : স্টাফ রিপোর্টার ||
সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার চাপাতলী এতিমখানা মোড় এলাকায় একটি ওয়েল্ডিংয়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যবসায়ীর নাম মো. আকমল আলী (৩৬)। তিনি উপজেলার মনকান্দা এলাকার বাসিন্দা।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন আকমল আলী। অভিযোগে মো. বাবু মিয়া (৩০) নামে একজনকে প্রধান অভিযুক্ত করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বাবু মিয়া শহরের চাপাতলী এলাকার হাবিবুল্লাহ ড্রাইভারের ছেলে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাবু মিয়ার সঙ্গে আকমল আলীর আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। সোমবার সন্ধ্যায় চাপাতলী এতিমখানা মোড় থেকে বাড়ি ফেরার পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বাবু মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জন তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় তাঁরা তাঁকে গালিগালাজ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, গালিগালাজের প্রতিবাদ করায় বাবু মিয়া তাঁর হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে আকমল আলীর মাথায় আঘাত করেন। পরে অন্য অভিযুক্তরা লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা, রক্তাক্ত ও ফোলা জখম হয়। একপর্যায়ে তাঁর পরিহিত প্যান্টের ডান পকেটে থাকা ব্যবসায়িক কাজের নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
আকমল আলীর দাবি, তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা মামলা করলে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা এবং লাশ গুম করার হুমকি দেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অজ্ঞাতপরিচয় এক অটোরিকশাচালকের মাধ্যমে তাঁকে শেরপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’