Advertisement
বৃহস্পতিবার, 15 অক্টোবর 2026
১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
শেরপুরে এক মাসেই শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন খোকন চন্দ্র ঘোষ শেরপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা শেরপুরে তামাক নিয়ন্ত্রণে টাস্কফোর্সের সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাজমিস্ত্রির মৃত্যু ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় শেরপুর সদর হাসপাতালে মশারি বিতরণ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নকলায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা গ্রাম-শহরের সব শিশুকে টিকার আওতায় আনার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাংলাদেশি রোগীদের বিনা মূল্যে লিভার প্রতিস্থাপন করবে পাকিস্তান ১৫ তরুণ পাচ্ছেন ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড, অনুদান পাচ্ছে ৪৩২ যুব সংগঠন

নেপালের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

নেপালের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
News Banner

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, শিক্ষা ও আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী।

বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তাঁরা।

সাক্ষাৎকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী বলেন, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়ানোরও যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে আড়াই হাজারের বেশি নেপালি শিক্ষার্থী চিকিৎসাবিদ্যায় পড়াশোনা করছেন বলে জানান তিনি।

রাষ্ট্রদূত নেপালে সম্প্রতি সংঘটিত ভয়াবহ বন্যার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকাগুলো পুনর্নির্মাণে প্রায় ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সার্বিক সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, নেপাল বাংলাদেশের বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত বন্ধু রাষ্ট্র। বাংলাদেশ সব সময় নেপালের পাশে রয়েছে। দেশটির প্রয়োজনে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

বৈঠকে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। তিনি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করতে নেপালের সহযোগিতা কামনা করেন।

মন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো সম্মিলিতভাবে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন আরও সহজ ও কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্যের পরিসর বাড়ানো প্রয়োজন। এতে প্রতিবেশী দেশগুলো তুলনামূলক সুবিধা পাবে, পরিবহন ব্যয় কমবে এবং পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা সহজ হবে। এর ফলে সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় ও জীবনযাত্রার মান বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে দেশীয় শিল্প ও অর্থনীতির সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সহজ হবে।

সাক্ষাৎ শেষে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও বহুমুখী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ।

এই সংবাদটি পঠিত হয়েছে: 14 বার

নিউজ ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

এই সাংবাদিকের মোট খবর: 439 টি

মন্তব্য করুন