শেরপুরের চিকিৎসক ও সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা অর্জন করেছেন জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনালের (জেসিআই) টেন আউটস্ট্যান্ডিং ইয়াং পারসনস (টিওওয়াইপি) অ্যাওয়ার্ড ২০২৬।চিকিৎসাসেবা, পেশাগত দক্ষতা ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ আন্তর্জাতিক সম্মাননা পেয়েছেন।
ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বর্তমানে বিএনপির মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসন-১৫-এর সংসদ সদস্য। চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি আলোচনায় রয়েছেন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ (সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করেন।
১৯৯৩ সালের ২২ জুন শেরপুরে জন্মগ্রহণ করেন প্রিয়াঙ্কা। তাঁর বাবা ডা. হযরত আলী শেরপুর জেলা বিএনপির প্রবীণ নেতা। প্রিয়াঙ্কা ২০০৮ সালে এসএসসি এবং ২০১০ সালে এইচএসসি পাস করেন। পরে রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে ২০১৬ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস থেকে এমআরসিএস ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
পেশাগত জীবনে ডা. প্রিয়াঙ্কা ঢাকা মেডিকেল কলেজের অনারারি মেডিকেল অফিসার এবং আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি শেরপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সক্রিয় সদস্য।
২০২৬ সালের মে মাসে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন তিনি। সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি চিকিৎসা ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।
জেসিআইয়ের টিওওয়াইপি অ্যাওয়ার্ড বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা তরুণদের স্বীকৃতি দেওয়ার একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ। এ সম্মাননা অর্জনের মধ্য দিয়ে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার পেশাগত ও নেতৃত্বের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পেয়েছে।
তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ, জনসেবা এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে এ ধরনের স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডা. প্রিয়াঙ্কার এ অর্জন শেরপুরের মানুষের মধ্যেও আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন