Advertisement
রবিবার, 20 সেপ্টেম্বর 2026
১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্ট: শেরপুরকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নড়াইলে আদালত চত্বর থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার-১১ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গতি আনতে ডিএনসিসিতে যুক্ত হলো ৫ নতুন ট্রাক কক্সবাজারে ৮৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ আটক-১ সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারে আইইডিসিআর হতে পারে অনন্য মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ মৎস্য-প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে আইসিসিসিএডির সঙ্গে সরকারের চুক্তি সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি: শ্রীবরদীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের ড্রোন-সেন্সর উদ্ভাবনের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারে আইইডিসিআর হতে পারে অনন্য মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারে আইইডিসিআর হতে পারে অনন্য মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
News Banner

দেশের সীমিত সম্পদের সঠিক ও সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনশীলতা ও সক্ষমতা কীভাবে বাড়ানো যায়, তার একটি উৎকৃষ্ট মডেল হতে পারে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়নের কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মহাখালীতে আইইডিসিআর অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশ এফইটিপি কনফারেন্স ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘মাঠপর্যায়ের রোগতত্ত্ব চর্চা জোরদারকরণ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ সম্মেলনের যৌথ আয়োজক আইইডিসিআর ও ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ (FETP-B)। এতে সহযোগিতা করছে সেফটিনেট (SAFETYNET), এমফনেট (EMPHNET), ইউনিসেফ ও ইউএস সিডিসি।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইইডিসিআর দীর্ঘদিন ধরে দেশের এপিডেমিওলজিক্যাল জনবলের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম (এফইটিপি) একটি সফল উদ্যোগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রশিক্ষিত ব্যক্তিরা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

জাতীয় পর্যায়ে তরুণ গবেষক, শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে ড. এম এ মুহিত বলেন, দেশের দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বিভিন্ন ভালো প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থাকলেও সমন্বয় ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে অনেক ক্ষেত্রে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে আইইডিসিআর একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে কীভাবে একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান তার উৎপাদনশীলতা ও সক্ষমতা বাড়াতে পারে, আইইডিসিআর তার একটি অনন্য মডেল হতে পারে।’

সম্মেলনে প্রদর্শিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পোস্টার ও গবেষণাপত্রের প্রশংসা করে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্যবিদ ড. এম এ মুহিত বলেন, প্রদর্শিত পোস্টার ও গবেষণাগুলো আন্তর্জাতিক মানের। এসব গবেষণার সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো, এগুলো বাংলাদেশের বাস্তব সমস্যা ও বিপুল জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যঝুঁকিকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়েছে।

তরুণ গবেষক ও বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এ ধরনের সম্মেলন গবেষকদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে। এর মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়বে এবং দেশে জনস্বাস্থ্যবিষয়ক আরও যুগোপযোগী ও ফলপ্রসূ গবেষণার পথ উন্মোচিত হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইডিসিআরের পরিচালক ড. কাজী আহমেদ জাকি। সায়েন্টিফিক কমিটির চেয়ারম্যান ড. এস এম বাকী বিল্লাহসহ বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

এই সংবাদটি পঠিত হয়েছে: 1 বার

নিউজ ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

এই সাংবাদিকের মোট খবর: 111 টি

মন্তব্য করুন