শেরপুরে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসীর মাসিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন শেরপুরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল আহমেদ। তিনি বলেন, বিচারপ্রার্থী মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারক, আইনজীবী, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলের সমন্বিত প্রয়াসের বিকল্প নেই। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কনফারেন্সে বক্তব্য দেন শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম, পিবিআই শেরপুর-জামালপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুলফিকার হোসাইন রনি, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্চিতা বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুহাম্মদ এমরান হোসেন, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান মাহমুদ মিলন ও শারমিন সুলতানা, সিনিয়র সহকারী জজ তনিমা রহমান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এম কে মুরাদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ এইচ এম নূরে আলম হীরা, স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আশরাফুন্নাহার রুবী, জেলা কারাগারের সুপার শাহ রফিকুল ইসলাম এবং কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক জিয়াউর রহমান।
এ সময় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীর বিচারকরা, র্যাব ও সিআইডির প্রতিনিধি, পাঁচ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কনফারেন্সে পরোয়ানা জারি ও তামিল, সাক্ষীদের আদালতে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, আদালতে আসা-যাওয়ার সময় সাক্ষীদের নিরাপত্তা, তদন্ত ও অনুসন্ধানে অপ্রত্যাশিত বাধা দূরীকরণ, সময়মতো ও সুস্পষ্ট মেডিকেল রিপোর্ট প্রদান এবং কারাগারে থাকা বিচারাধীন বন্দীদের নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ ছাড়া হুলিয়া ও ক্রোকি পরোয়ানা জারি, আদালত প্রাঙ্গণের নিরাপত্তা, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা, মালখানা থেকে সময়মতো আলামত আদালতে উপস্থাপন এবং ফৌজদারি বিচার কার্যক্রম দ্রুত ও স্বচ্ছন্দে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেসীর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন