বগুড়ার শেরপুরে একটি বেপরোয়া কুকুরের কামড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার একাধিক এলাকায় কুকুরটির হামলায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ২৬ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আমিরুল ইসলাম জানান, কুকুরের কামড়ে আহত ২৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। তাঁদের প্রত্যেককে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। পরে তাঁদের বাড়িতে পাঠানো হয়। বর্তমানে সবাই আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে একটি হিংস্র কুকুর উপজেলার বাগড়া কলোনি, কেল্লা, টুনিপাড়া ও হাপুনিয়া এলাকার বিভিন্ন সড়কে বেপরোয়াভাবে ছুটে বেড়ায়। এ সময় সামনে যাকে পেয়েছে, তাকেই কামড়ে জখম করেছে। নারী, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ কুকুরটির আক্রমণের শিকার হন।
হাসপাতালের হিসাব অনুযায়ী, আহতের সংখ্যা ২৬ জন। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কুকুরটির কামড়ে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। ভ্যাকসিনের সংকটের আশঙ্কা ও দূরত্বের কারণে আহত অনেককে স্বজনেরা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ছাড়া কেউ কেউ স্থানীয় বিভিন্ন ফার্মেসি ও ক্লিনিক থেকেও চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন নিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় বেওয়ারিশ ও হিংস্র কুকুরের উপদ্রব দিন দিন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব কুকুরের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় এ ধরনের ঘটনা আরও বড় বিপদের কারণ হতে পারে।
মন্তব্য করুন