Advertisement
সোমবার, 28 সেপ্টেম্বর 2026
১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
নকলায় তরুণদের ব্যতিক্রমী বুদ্ধিবৃত্তিক আড্ডা শেরপুরে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস পালিত চাচীকে ধর্ষণের অভিযোগে ভাতিজা গ্রেপ্তার পাতা ঝাড়ু দিতে গিয়ে সাপের কামড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু মাহাথিরের জীবনের ৭০ বছরের সঙ্গী সিতি হাসমাহ আর নেই শেরপুরে শ্রমিক দলের র‍্যালি-সমাবেশ, ‘ষড়যন্ত্র প্রতিহতের’ ঘোষণা শেরপুরে ড্রেজিং ও ড্রেজড ম্যাটেরিয়াল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতায় জোর অপতথ্য ছড়ানো ঠেকাতে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী দেশে এলপিজির সংকট নেই-পর্যাপ্ত মজুদ: জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভায় অপারেটররা ঝিনাইগাতীতে নতুন পাওয়ার ট্রান্সফরমার, উন্নত হবে বিদ্যুৎ সরবরাহ

ফরিদপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় মা-ছেলের যাবজ্জীবন

ফরিদপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় মা-ছেলের যাবজ্জীবন
News Banner

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে স্ত্রী সুমি (গিরিনা) হত্যা মামলায় স্বামী ও শাশুড়িকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ৩টার দিকে ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—বোয়ালমারী উপজেলার কেশরাইল গ্রামের আতিয়ার রহমান তালুকদার (২৮) ও তার মা মোছা. রাহেলা বেগম (৫০)। মামলার আরেক আসামি আতিয়ারের বাবা খলিলুর রহমান তালুকদার (৫৫)কে খালাস দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আতিয়ার রহমান পলাতক ছিলেন।

মামলার নথি ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত সুমি ছিলেন কেশরাইল গ্রামের আতিয়ার রহমান তালুকদারের স্ত্রী। বিয়ের সময় সুমিকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা দেওয়া হয়েছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

নিহতের ভাই ও মামলার বাদী মো. সরোয়ার মোল্যা (৪৫) অভিযোগ করেন, বিয়ের পর সুমি অন্তঃসত্ত্বা হলে তার স্বামী ওষুধ খাইয়ে তার গর্ভপাত ঘটান। এরপর থেকে স্বামী, শাশুড়ি ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে সুমিকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন এবং বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে।

পরে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করে সুমি ও তার স্বামীকে কেশরাইলের বাড়িতে পাঠানো হয়। সেখানে যাওয়ার পরও সুমির ওপর নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করেন তার ভাই।

২০১১ সালের ১১ মে সকালে কেশরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. আবুজার মোল্যা মোবাইল ফোনে সুমির মৃত্যুর খবর তার ভাইকে জানান। খবর পেয়ে স্বজনরা কেশরাইল গ্রামের আতিয়ার রহমানের বাড়িতে গিয়ে একটি ঘরের পালংকের ওপর সুমির মরদেহ দেখতে পান।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সুমিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ ঘরের মধ্যে রেখে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তার ভাই সরোয়ার মোল্যা বোয়ালমারী থানায় মামলা করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার মামলাটির রায় ঘোষণা করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি চৌধুরী জাহিদ হাসান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রায় ১৫ বছর পর মামলাটির রায় হলো। আদালত আতিয়ার রহমান তালুকদার ও তার মা রাহেলা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন। মামলার অপর আসামি খলিলুর রহমান তালুকদারকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

এই সংবাদটি পঠিত হয়েছে: 13 বার

নিউজ ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

এই সাংবাদিকের মোট খবর: 212 টি

মন্তব্য করুন