শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে দেশকে ভালোবেসে শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেছেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাই শিশুদের এখন থেকেই নিজেদের যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে প্রস্তুত করতে হবে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে ‘শিশু অধিকার দিবস ২০২৬’ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘শিশুর স্বপ্নে ৫০ বছর: অর্জন, অভিজ্ঞতা ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘আজকের শিশুরাই ভবিষ্যতে দেশের পূর্ণাঙ্গ নাগরিক হয়ে বাংলাদেশকে গড়ে তুলবে। তাই শিশুদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব বর্তমান প্রজন্মেরও। দেশকে ভালোবেসে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে শিশুদের এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।’
তিনি বলেন, শিশুদের অধিকার নিয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরির আগেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিশুদের ভবিষ্যৎ ও অধিকার নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে চিন্তা করেছিলেন। শিশুদের সুপ্ত শক্তি ও সম্ভাবনা বিকশিত করে ভবিষ্যতের নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করার প্রয়োজনীয়তাও তিনি উপলব্ধি করেছিলেন।
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তির এই আয়োজন শিশুদের জন্য ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ আয়োজন থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, জাতিসংঘ ১৯৮৯ সালে শিশুদের নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবনা শুরু করার অনেক আগেই ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিশুদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রমের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, সরকার ধাপে ধাপে দেশের প্রতিটি উপজেলায় শিশু একাডেমির কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব কার্যক্রমে সুবিধাভোগী শিশুদের পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশুরাও সমান সুযোগ পাবে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সেলিমা রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সরকারের প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদ।
মন্তব্য করুন