Advertisement
শনিবার, 26 সেপ্টেম্বর 2026
১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ

লেখাপড়ার পাশাপাশি সৃজনশীল কাজে যুক্ত হওয়ার আহ্বান: এলজিআরডি মন্ত্রী

লেখাপড়ার পাশাপাশি সৃজনশীল কাজে যুক্ত হওয়ার আহ্বান: এলজিআরডি মন্ত্রী
News Banner

শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি বিতর্ক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন সৃজনশীল ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে ‘DUDS-ActionAid National Debate Festival 2026’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। আগামী ১০, ১৫ কিংবা ২০ বছর পর তারাই দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করবে। তাই এখন থেকেই ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।’

তিনি বলেন, রাজনীতি, সমাজনীতি কিংবা অর্থনীতিতে শিক্ষার্থীরা ভূমিকা রাখবে—তবে লেখাপড়াকে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না। শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের সমন্বিত বিকাশের মাধ্যমেই ভবিষ্যতের যোগ্য নাগরিক ও নেতৃত্ব তৈরি সম্ভব।

বিতর্ক শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর চিন্তা, মত প্রকাশ ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে উল্লেখ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, শুধু বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করলেই হবে না। সামগ্রিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সৃজনশীল ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে হবে।

নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে মন্ত্রী বলেন, প্রায় ৬০ বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের শিক্ষার্থী থাকাকালে তিনি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন। হলের প্রতিনিধিত্ব করে টানা তিন বছর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্মৃতিও তুলে ধরেন তিনি।

ছাত্রসমাজের শক্তির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অন্যায় ও অসঙ্গতির বিরুদ্ধে কথা বলার সক্ষমতা ছাত্রসমাজের একটি বিশেষ শক্তি। বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে ছাত্রসমাজ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছে। নতুন প্রজন্মকে এই শক্তি ও দায়িত্ববোধ ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে হবে।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, একটি দেশের অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি মানসম্মত শিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয়। জ্ঞান, গবেষণা ও শিক্ষার শক্তির ওপর ভিত্তি করেই একটি দেশ দীর্ঘমেয়াদে এগিয়ে যেতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ঐতিহ্য ধরে রাখতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

ডিবেট ফেস্টিভ্যালের আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ডিবেটিং সোসাইটিকে শুধু বিতর্ক আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

এর মাধ্যমে জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও নেতৃত্বে সমৃদ্ধ নতুন প্রজন্ম গড়ে উঠবে, যারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে বিশ্বপরিসরে আরো মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি (ডিইউডিএস) ও অ্যাকশন-এইডের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় বিতর্ক উৎসবে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪টি দল অংশগ্রহণ করছে।

এই সংবাদটি পঠিত হয়েছে: 6 বার

নিউজ ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

এই সাংবাদিকের মোট খবর: 184 টি

মন্তব্য করুন