দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে কোনো সংকট নেই বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে আশ্বস্ত করেছেন এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররা। তাঁদের দাবি, দেশে এলপিজির জোগান ও মজুদ পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।
সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়। দেশের এলপিজি আমদানি, মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি, বাজারদরসহ সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনার জন্য এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
সভায় দেশের এলপিজি খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যের বরাত দিয়ে সভায় জানানো হয়, ২০২৬ সালের আগস্টে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসের ২২ তারিখ পর্যন্ত আমদানি হয়েছে আরও ১ লাখ ১৮ হাজার ৭৪২ মেট্রিক টন।
সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, দেশে এলপিজির জোগান ও মজুদ পরিস্থিতি সন্তোষজনক। এ অবস্থায় বর্তমানে এলপিজির কোনো ধরনের সংকট নেই বলে জানান আমদানিকারক ও অপারেটররা।
তবে পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও গ্রাহক পর্যায়ে যাতে সরবরাহে কোনো ঘাটতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন জ্বালানি মন্ত্রী। অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ যাতে এলপিজি মজুদ করে কৃত্রিম সংকট বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে না পারে, সেদিকেও নজর রাখার আহ্বান জানান তিনি।
অপারেটররা এ বিষয়ে মন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সভায় এলপিজি ব্যবসা পরিচালনায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথাও তুলে ধরেন অপারেটররা। তাঁদের বক্তব্য শোনার পর এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানে জ্বালানি বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধা দূর করতে মন্ত্রণালয় সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন