Advertisement
বৃহস্পতিবার, 05 নভেম্বর 2026
১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
শেরপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা হৃদরোগীদের পুনর্বাসনে দেশে যুক্ত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বসুন্ধরায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন শিক্ষাখাতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: শিক্ষামন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গণতন্ত্র ও বৈশ্বিক শান্তিতে সংলাপের আহ্বান এআই উদ্ভাবনে সক্ষম বাংলাদেশ গড়তে হবে: রাষ্ট্রপতি অবকাঠামো ও শিল্প খাতে বিনিয়োগে চীনের সিআরসিসির সঙ্গে চুক্তি গণশুনানিতে ১২৪ জনের আবেদন, ৯৯ জনকে আর্থিক সহায়তা বাগড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক নকলায় ৫০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের যাত্রা শুরু

হৃদরোগীদের পুনর্বাসনে দেশে যুক্ত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

হৃদরোগীদের পুনর্বাসনে দেশে যুক্ত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
News Banner

দেশে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের উন্নত চিকিৎসার পাশাপাশি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক মানের কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন বা হৃদরোগ পুনর্বাসন মডেল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী, সহজলভ্য ও দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে তুলতে নীতিগত ও কাঠামোগত সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে ‘সাশ্রয়ী হৃদরোগ পুনর্বাসন: সমন্বিত কৌশলগত প্রচার ও গবেষণা’ শীর্ষক পাঁচ বছর মেয়াদি গবেষণা প্রকল্পের স্টেকহোল্ডার সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে মোট মৃত্যুর ৬৭ শতাংশের জন্য দায়ী অসংক্রামক রোগ। এসব রোগের মধ্যে হৃদরোগ অন্যতম প্রধান কারণ। ২০২২ সালের জাতীয় জরিপের তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে মোট মৃত্যুর ২১ শতাংশই ঘটছে হৃদরোগজনিত জটিলতায়।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নতির ফলে মানুষের গড় আয়ু বাড়লেও অসংক্রামক রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে। তাই হৃদরোগের চিকিৎসার পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ব্যায়ামভিত্তিক কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন পরবর্তী হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়, হাসপাতালে পুনরায় ভর্তির হার হ্রাস করে এবং রোগীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করে।

ড. এম এ মুহিত বলেন, শুধু ওষুধ ও ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর অনেক রোগী উদ্বেগ, বিষণ্ণতা ও মানসিক সংকটে ভোগেন। বিশেষ করে কর্মক্ষম বয়সী মানুষের ক্ষেত্রে এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। প্রস্তাবিত গবেষণায় শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা সময়োপযোগী উদ্যোগ।

গবেষণা ও স্বাস্থ্য খাতের বাজেট বরাদ্দ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গবেষণার ফলাফল শুধু গবেষণাগার কিংবা বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। এসব ফলাফলকে বাস্তবভিত্তিক স্বাস্থ্যনীতি ও তৃণমূল পর্যায়ের সেবায় কাজে লাগাতে হবে। জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নকে সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে। এর অংশ হিসেবে স্বাধীনতার ৫৪ বছরের ইতিহাসে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পাঁচ বছর মেয়াদি এ গবেষণার মাধ্যমে তরুণ গবেষকদের আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা ও সক্ষমতা তৈরি হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে হৃদরোগ পুনর্বাসনের জন্য একটি কার্যকর ও টেকসই মডেল গড়ে তোলার পথ সুগম হবে।

অনুষ্ঠানে গবেষণার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্পের প্রধান ও গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রড এস টেলর। এ সময় বক্তব্য দেন জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান, অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিউদ্দিন এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক জে এম এ হান্নান।

এই সংবাদটি পঠিত হয়েছে: 1 বার

নিউজ ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

এই সাংবাদিকের মোট খবর: 573 টি

মন্তব্য করুন