Advertisement
বুধবার, 07 অক্টোবর 2026
১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
উলুধ্বনি দিয়ে শেরপুর জেলা পরিষদ প্রশাসকের রোগমুক্তি কামনা শেরপুরে শুরু হলো সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘দেবী’র দৃশ্যধারণ অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচার চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার ফ্রান্সের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ আঞ্চলিক পর্যায়ে ছড়াবে বেতার বিতর্ক: তথ্য প্রতিমন্ত্রী সুবিধাবঞ্চিত শিশুরাও আসবে শিশু একাডেমির কার্যক্রমে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী নিঃসন্তান দম্পতির পাশে দাঁড়াল অসহায় কল্যাণ ফাউন্ডেশন শেরপুরে ১০ কোটি টাকার অভিযোগ, উধাও উত্তরা হাসপাতালের এমডি ২৫৪ মানুষের কথা শুনলেন শেরপুরের ডিসি, সহায়তা পেলেন ২১৮ জন সাভারে ২৬ লাখ টাকা ছিনতাই: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ-গার্মেন্টসের বাজার ধরতে চায় বাংলাদেশ

ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ-গার্মেন্টসের বাজার ধরতে চায় বাংলাদেশ
News Banner

ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বাড়াতে চায় সরকার। এ জন্য তৈরি পোশাক, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং বাজারে প্রবেশের বাধা দূর করার ওপর জোর দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ইন্দোনেশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ আনিস মাত্তার সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বৈঠকে পিটিএ, সিইপিএ, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতি এবং বাংলাদেশি পণ্যের ইন্দোনেশিয়ার বাজারে প্রবেশের বিষয়ও উঠে আসে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে বছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হলেও এর বড় অংশই ইন্দোনেশিয়া থেকে বাংলাদেশের আমদানি। ইন্দোনেশিয়া থেকে বাংলাদেশ প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। বিপরীতে বাংলাদেশ দেশটিতে রপ্তানি করে মাত্র প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।বাজারে প্রবেশের বাধা দূর করা গেলে বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি করা সম্ভব।

ইন্দোনেশিয়ায় বাড়বে বাংলাদেশি ওষুধের বাজার ইন্দোনেশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি ওষুধের রপ্তানি বাড়াতে ওষুধ নিবন্ধনসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমানোর জন্য দেশটির সহযোগিতা চান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের ওষুধ ও ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। এসব পণ্য বিশ্বের ১০০টির বেশি দেশে রপ্তানি করা হয়।

এ সময় জাকার্তায় বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্যের ‘সোলো এক্সিবিশন’ আয়োজনের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান ইন্দোনেশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রদর্শনী আয়োজনে সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।
থমকে থাকা পিটিএ আলোচনায় গতি আনার চেষ্টা বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে পিটিএ নিয়ে চার দফা আলোচনা হলেও তৈরি পোশাকের শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে ২০২৩ সাল থেকে আলোচনা থমকে আছে।

ইন্দোনেশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পে প্রতিযোগিতা থাকলেও সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
আগামী ১৪ থেকে ১৮ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনীর সময় দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকের প্রস্তাব দেন তিনি। বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী ও প্রতিনিধিদলকে ওই প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণও জানান।

আলু, কয়লা ও হালাল বাণিজ্যেও গুরুত্ব
বৈঠকে বাংলাদেশের সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) টার্মিনাল পরিচালনায় ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস কোম্পানি পারতামিনার প্রস্তাব অনুমোদনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনাও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশি আলু রপ্তানির ক্ষেত্রে পরীক্ষাগার ও নিবন্ধনসংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে দুই দেশের পরীক্ষার ফলাফলের পারস্পরিক স্বীকৃতির প্রস্তাব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আলু রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হলেও এসব জটিলতার কারণে তা এগোয়নি।

এ ছাড়া হালাল পণ্যের বাণিজ্য বাড়াতে হালাল সনদ ও মানের পারস্পরিক স্বীকৃতি এবং দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সরকার-টু-সরকার সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে দুই পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করে।

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতিসহ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সংবাদটি পঠিত হয়েছে: 8 বার

নিউজ ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

এই সাংবাদিকের মোট খবর: 358 টি

মন্তব্য করুন