অন্ধবিশ্বাস, অতিপ্রাকৃতিক অনুভূতি ও যুক্তিবাদী মানসিকতার দ্বন্দ্বকে উপজীব্য করে নির্মিত হচ্ছে ছোট সিনেমা ‘দেবী’। শেরপুরের গারো পাহাড়ের মনোরম ও বৈচিত্র্যময় লোকেশনে এর দৃশ্যধারণ শুরু হয়েছে।
শ্রাবণী ফেরদৌসের চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি। বাংলাদেশের ১০টি বৈচিত্র্যময় অঞ্চলে ১০টি ছোট সিনেমা নির্মাণের উদ্যোগ ‘চলো ঘুরে আসি’র অংশ হিসেবে শেরপুরকে কেন্দ্র করে নির্মিত হচ্ছে সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারধর্মী এই চলচ্চিত্র।
প্রকল্পটির সার্বিক পরিবেশনা ও প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে প্রোডাকশন হাউস ‘৩৬০ ডিগ্রি সিনেমা’। নির্মাতারা বলছেন, গল্পের রহস্যময় আবহ ও শেরপুরের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যকে একসঙ্গে তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
‘দেবী’ সিনেমার কেন্দ্রীয় দুই চরিত্রে অভিনয় করছেন নতুন মুখ মুবতাসিম আহসান ইনান ও পিয়াতা ওম। গল্পের টাইটেল চরিত্র ‘দেবী’র ভূমিকায় দেখা যাবে পিয়াতা ওমকে। আর নায়কের চরিত্রে অভিনয় করছেন ইনান।
অভিনয়ভিত্তিক রিয়্যালিটি শো ‘ফেস অব টুমোরো’-এর প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে অভিনয়দক্ষতার ভিত্তিতে মূল দুটি চরিত্রের জন্য নির্বাচিত হন ইনান ও পিয়াতা ওম।
সিনেমাটিতে ইনান ও পিয়াতা ওমের পাশাপাশি অভিনয় করছেন জেরিন, আরিফ, সিনথিয়া ও স্রাব্দী। পুরোহিতের চরিত্রে অভিনয় করছেন স্থানীয় কোচ নেতা যুগল কিশোর কোচ।
পরিচালক শ্রাবণী ফেরদৌস বলেন, ‘মানুষের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এবং অন্ধবিশ্বাসের সূক্ষ্ম সীমানাকে কেন্দ্র করে দেবীর গল্প সাজানো হয়েছে। গল্পের মেজাজ ও রহস্যময় আবহ ফুটিয়ে তুলতে শেরপুরের লোকেশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভিনয়ে যেমন নতুনত্বের ছোঁয়া রয়েছে, তেমনি নির্মাণেও আন্তর্জাতিক মান ধরে রাখার চেষ্টা করছি।’
প্রযোজনা সংস্থা ‘মার্কেটার্স ৩৬০ ডিগ্রি’ সূত্রে জানা গেছে, শেরপুরের গারো পাহাড়ের বিভিন্ন লোকেশনে দৃশ্যধারণ শেষ হওয়ার পর দ্রুত পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ শুরু হবে। এরপর ‘চলো ঘুরে আসি’র অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে ছোট সিনেমাটি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন