Advertisement
মঙ্গলবার, 06 অক্টোবর 2026
১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
শেরপুর জেলা পরিষদ প্রশাসকের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রীবরদীতে ভোটকেন্দ্র পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন বাংলাদেশকে মানবিক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক চাপ চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ২২ জেলায় হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ইতালির প্রলোভনে টাকা নিয়ে লিবিয়ায় পাচার, গ্রেপ্তার ২ এআই যেন নতুন বৈষম্য তৈরি না করে: ডাক-টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বরাদ্দ বাড়বে মৎস্য খাতে, অপচয় চলবে না: মৎস্যমন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী এনজিও, বেসরকারি খাত ও সরকারের শক্তিশালী অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী

এআই যেন নতুন বৈষম্য তৈরি না করে: ডাক-টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

এআই যেন নতুন বৈষম্য তৈরি না করে: ডাক-টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
News Banner

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যেন নতুন কোনো বৈষম্য তৈরি না করে, বরং বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে—এমন প্রযুক্তিনির্ভর অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
তিনি বলেছেন, ‘বর্তমান ডিজিটাল বিভাজন যেন ভবিষ্যতের এআই বিভাজনে পরিণত না হয়—এটাই আমাদের অঙ্গীকার।’

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) তুরস্কের ইস্তাম্বুলে শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী আন্তঃআঞ্চলিক সম্মেলন ‘AI Governance in Practice: Practical Use Cases, Institutional Capacity, Innovation at Scale and Global Cooperation’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে ১২টি অংশগ্রহণকারী দেশের পক্ষে বক্তব্য দেন তিনি।

কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের সরকার, আস্তানা সিভিল সার্ভিস হাব, ইউএনডিপি এবং তুরস্ক প্রজাতন্ত্র যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
মন্ত্রী বলেন, এআই এখন আর শুধু ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নয়। সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নাগরিক সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে এর ব্যবহার ইতোমধ্যে পরিবর্তন আনছে। তবে প্রশ্ন শুধু কত দ্রুত এআই গ্রহণ করা হবে তা নয়; বরং কতটা দায়িত্বশীল, প্রজ্ঞাপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে এ প্রযুক্তি পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা হবে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

এআই সুশাসনের জন্য তিনটি মৌলিক বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন ফকির মাহবুব আনাম। এগুলো হলো—আস্থা ও বিশ্বাস, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।
তিনি বলেন, সরকারি খাতে এআইয়ের ব্যবহার হতে হবে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, দায়িত্বশীল ও মানবকেন্দ্রিক। পাশাপাশি এআই ব্যবহারের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ, কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, উপযুক্ত ডেটা গভর্ন্যান্স এবং সময়োপযোগী আইনি কাঠামো প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কোনো একক দেশের কাছে এআই ব্যবহারের সব সমাধান নেই। তাই অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে টেকসই প্রযুক্তিগত রূপান্তর নিশ্চিত করতে হবে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, এআই যেন নতুন বৈষম্য তৈরি না করে; বরং বিদ্যমান বৈষম্য দূর করার শক্তি হিসেবে কাজ করে। এ জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সাশ্রয়ী মূল্যে আধুনিক প্রযুক্তির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ইস্তাম্বুলের এ সম্মেলন উদ্ভাবন, আস্থা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রযুক্তি ব্যবহারের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে উঠবে। প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় কোনো দেশ বা জনগোষ্ঠী যেন পিছিয়ে না থাকে, সে বিষয়ে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

সম্মেলনে ককেশাস, মধ্য এশিয়া ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউএনডিপি এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

এই সংবাদটি পঠিত হয়েছে: 10 বার

নিউজ ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

এই সাংবাদিকের মোট খবর: 343 টি

মন্তব্য করুন